মুসলিম বিশ্ব articles

হজ নিয়ে মোদির ফতোয়া!

হজ নিয়ে মোদির ফতোয়া!

জহির উদ্দিন বাবর ইসলাম ধর্মের অন্যতম রোকন হজের ব্যাপারে নতুন নিয়মের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মাহরাম পুরুষ ছাড়া নারীদের হজে যাওয়ার ব্যাপারে ইসলামের বিধিনিষেধ থাকলেও সেটা গায়ের জোরে ‘ফতোয়া’ দিয়ে ‘জায়েজ’ করতে চাচ্ছেন আজীবন মুসলিম বিদ্বেষী এই বিজেপি নেতা। সম্প্রতি রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে মোদি জানান, ভারতের স্বাধীনতার ৭০ বছরের ইতিহাসে তিনিই প্রথম এই সিদ্ধান্ত

সৌদির জবাবদিহিতা ও মুসলিম বিশ্ব

মূল: সাইয়েদ মুহাম্মদ সালমান হোসাইনী নদভী আজ মুসলিম বিশ্বের যে অবস্থা তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। উনিশ শতকে যেসব বিপর্যয় মুসলমানদের ওপর পতিত হয়েছে তাদের শাসকদের কারণে তা দিন দিন বাড়ছে এবং গভীর হচ্ছে। বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর রাজনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা সৌদি আরবের। তাদের রাজনীতি দ্বিমুখী এবং তারা হারামাইনকে

ভাগ্যবিড়ম্বিত রোহিঙ্গাদের করুণগাথা

জহির উদ্দিন বাবর অবহেলা আর তুচ্ছতাচ্ছিলের শিকার ভাগ্যবিড়ম্বিত এক জনগোষ্ঠীর নাম রোহিঙ্গা। কিছুদিন পরপর তথাকথিত নিরীহ জাতি বৌদ্ধরা তাদের কচুকাটা করে। কিন্তু সারা বিশ্ব তখন নীরবতা পালন করে। ‘টু’ শব্দ নেই তথাকথিত মানবাধিকারের ফেরিওয়ালাদের। এমনকি মুসলিম বিশ্বও তাদের নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামায় না। রোহিঙ্গারা যে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত সে কথা যেন কারোর মনেই পড়ে

মসজিদে আকসা কেন মুসলমানদের হাতছাড়া?

মূল: জাস্টিস মুফতি মুহাম্মদ তাকী উসমানী; অনুবাদ: জহির উদ্দিন বাবর বায়তুল মোকাদ্দাস বা মসজিদে আকসা আমাদের প্রথম কেবলা। এখন আর তা আমাদের হাতে নেই। যে মসজিদে আকসা দিনে পাঁচবার আজানের আওয়াজে গুঞ্জরিত হতো আটশ বছর পর সেখানে আজান বন্ধ হয়ে গেছে। মসজিদে আকসা আজ অভিশপ্ত ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে। কমপক্ষে এক লাখ নবী-রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত ফিলিস্তিন আজ ওই

কাতার সংকট: মুসলিম উম্মাহর দুর্ভাগ্যের করুণ চিত্র

জহির উদ্দিন বাবর মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট অথচ অন্যতম ধনী দেশ কাতার। সম্প্রতি সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৯টি দেশ কাতারের প্রতি অবরোধ আরোপ করেছে। দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। কাতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করে। তবে সৌদি আরব ও তার মিত্রদের চোখে হামাস ও ইখওয়ানুল মুসলিমিন সন্ত্রাসী সংগঠন হলেও সাধারণ মুসলিমরা তাদেরকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে

শিয়া চক্রান্ত ও আমাদের মিডিয়া

ইরান তথা শিয়াদের কাছে ইসরাইল ও আমেরিকার চেয়ে বড় শত্রু সৌদি আরব। সুযোগ পেলে তারা সৌদি আরব দখল করবে এবং তাদের চিরস্বপ্ন রাসুল সা.-এর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আবু বকর ও ওমর রা.-এর কবর সরাবে। এজন্য সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইরানি মিডিয়া সব সময়ই সরব। সৌদি শাসকদের নীতি-আদর্শে শত বিচ্যুতি থাকতে পারে; কিন্তু ইরানি মিডিয়া যখন এটাকে

১৬০ কোটি মুসলমানের অভিভাবক কে?

বিশ্বের কোথাও মুসলমানরা আজ তেমন ভালো নেই। সারা বিশ্বেই মুসলমানরা মার যাচ্ছে। কেউ মরছে আগ্রাসী শক্তির হাতে, কেউ স্বৈরশাসকদের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে মারা যাচ্ছে আরো বেশি মুসলমান। অনাহার, দারিদ্র্যের কারণেও অকালেই ঝরে যাচ্ছে বহু মুসলমানের জীবন। কিন্তু এসব দেখার কেউ নেই। এসব বন্ধে নেই কোনো যোগ্য নেতৃত্বও। বস্তুত বিশ্বের প্রায় ১৬০ কোটি মুসলমান

মুসলিম উম্মাহর প্রধান সংকট

মুসলিম জাতির অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো পারস্পরিক ঐক্য ও বিভক্তি। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘এক মুসলমান অন্য মুসলমানের জন্য দেয়ালসদৃশ। এর একটি অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হলে এর প্রভাবে সারা শরীর ব্যথিত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়।’ অদৃশ্য এই শক্তিই মুসলমানদের অবিস্মরণীয় বিজয়ের গোপন রহস্য। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ূবী রহ. বায়তুল মুকাদ্দাস পুনরুদ্ধারের জন্য ওই সময় চূড়ান্ত বিজয়ের প্রস্তুতি নেন, যখন মুসলমানদের

উম্মাহর মুক্তির চাবিকাঠি আমাদের হাতেই

৩ অক্টোবর ২০১৪ শুক্রবার পালিত হলো মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র হজ। সৌদি আরবের মক্কা নগরীর কাছে ঐতিহাসিক আরাফার ময়দানে সেদিন জড়ো হয়েছিলেন ৩০ লক্ষাধিক মুসলমান। উপস্থিত জনতাকে লক্ষ্য করে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ মসজিদে নামিরার মিম্বারে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক খুতবা দেন। ধারাবাহিকভাবে ৩৪ বছর ধরে তিনি হজের খুতবা

মানবতার বোবা কান্না, নীরব বিশ্ব বিবেক

অসভ্যতা ও বর্বরতার মাত্রা যেখানে শেষ অভিশপ্ত ইসরাইলিদের হিংস্রতা সেখান থেকে শুরু। মানুষরূপী হায়েনা কত বর্বর হতে পারে ইহুদিদের না দেখলে বিশ্ববাসী তা অনুমান করতে পারতো না। পৃথিবীর তাবৎ ঘৃণা ছোট্ট ভূখ- ইসরাইলের দিকে ছুড়ে মারলেও তাদের অসভ্যতার তুলনায় তা সামান্যই হবে। তাদের অপকর্ম চিত্রায়নে কলমের ভাষা অক্ষম। এমন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানানোর কোনো ভাষা পৃথিবীতে

Top