মনীষা/স্মৃতি articles

আলেম লেখকের চলে যাওয়ার ক্ষতি পূরণযোগ্য নয়

আলেম লেখকের চলে যাওয়ার ক্ষতি পূরণযোগ্য নয়

জহির উদ্দিন বাবর চলে যাওয়া সবার নিয়তি হলেও কোনো কোনো চলে যাওয়া সহজে মেনে নেয়া যায় না। মুফতি মুতীউর রহমানের চলে যাওয়াটাও তেমনি। একজন আলেমের মৃত্যুকে ‘জগতের মৃত্যু’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আর সেই আলেম যদি হন লেখক তাহলে সেই চলে যাওয়ার ক্ষতিটা আরও বেশি। যে ক্ষতি কখনও পূরণযোগ্য নয়। এজন্য চল্লিশ পেরোনো টগবগে এই

কুরআনের এক মহান খাদেম

জহির উদ্দিন বাবর মহাগ্রন্থ আল কুরআনের খেদমতে বিশেষ অবদান রেখে যারা ‘স্বর্ণমানব’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন তাদেরই একজন হজরত মাওলানা কারী বেলায়েত হুসাইন রহ.। পবিত্র কুরআনের খেদমতকে তিনি জীবনের মহান ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে কুরআনের বিশুদ্ধ তেলাওয়াত ও এর চর্চা জারি করার পেছনে বিশাল ভূমিকা তাঁর। সর্বমহলে স্বীকৃত নূরানী পদ্ধতির আবিষ্কারক তিনি। নিজ হাতে

আমাদের দুই আলোর মিনার

জহির উদ্দিন বাবর নিকট অতীতে বাংলাদেশে প্রভাবশালী আলেমদের তালিকায় তাঁরা দুজনই শীর্ষে ছিলেন। কৃতিত্বপূর্ণ অবস্থানের দিক থেকে দুজনই ছিলেন ঝলমলে একটি জায়গায়। দুজনই দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। দুজনেরই ছিল নিজ নিজ রাজনৈতিক গণ্ডি ও বলয়। তবে সবকিছু ছাপিয়ে তারা হয়ে উঠেছিলেন দেশের তৌহিদি জনতার অভিভাবক। ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানের রূপ পেয়েছিলেন দুজনই। জাতির যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে

চলে গেলেন কুরআনের কোকিল

জহির উদ্দিন বাবর কুরআনের সুরে তিনি পুরো জাতিকে মোহিত করতেন। খ্যাতি পেয়েছিলেন ‘কুরআনের কোকিল’ নামে। রেডিও-টিভিতে তাঁর আজানের সুমধুর ধ্বনি শুনেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। তাঁর মুখে কুরআনে কারিমের অমীয় তেলাওয়াত ছুঁয়ে যেতো প্রতিটি মানুষের অন্তর। দেশের হাজার হাজার কারী’র মধ্যে তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। সবাই একডাকে তাঁকে চিনতেন। সবমহলে ছিল তাঁর স্বীকৃতি।

হৃদয়ে তিনি মননে তিনি

জহির উদ্দিন বাবর বাংলাদেশে বড় আলেমের সংখ্যাটা খুব কম না। তবে তাদের মধ্যে দুজন আলেমের প্রতি আমার দুর্বলতা ছোটবেলা থেকেই একটু বেশি। তাদেরই একজন মাওলানা আতাউর রহমান খান রহ.। কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের ঘাগড়া মাদরাসায় যখন পড়ি সম্ভবত তখনই আতাউর রহমান খানের নাম শুনি। তখন তিনি কিশোরগঞ্জ সদরের এমপি। কিন্তু কখনও তাঁকে দেখা হয়ে উঠেনি। সম্ভবত ১৯৯৫

যাঁকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হতো

জহির উদ্দিন বাবর ফোকাসে থাকা শীর্ষ আলেমদের কেউ তিনি ছিলেন না। ‘হাঁকডাকে’র কোনো কর্মকাণ্ডে তাঁকে দেখা যেতো না। তবে দল-মত নির্বিশেষে সব মহলের কাছে একবাক্যে গ্রহণযোগ্যতা ছিল তাঁর। অনেক খুঁজেও ঢাকায় তাঁর সমকক্ষ ‘সর্বজন গ্রহণযোগ্য’ কোনো আলেম আমি অন্তত পাইনি। অভিভাবকতুল্য সেই আলেম শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা আবদুল হাই পাহাড়পুরী রহ. আজ চলে গেলেন না

যুগের প্রবর্তক ও প্রেরণার বাতিঘর

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত এমন আলেমের সংখ্যা বাংলাদেশে নিতান্তই কম। হাতেগোনা এমন আলেমদের একজন ছিলেন হযরত মাওলানা মুহিউদ্দীন খান। গত ২৫ জুন তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে। তাঁর ব্যক্তিত্বের বিভা ও খেদমতের গণ্ডি অনেক বিস্তৃত। নানামুখী খেদমতের কারণে তিনি ছিলেন দেশ-বিদেশে পরিচিত। তবে আমি মনে করি তাঁর সব পরিচয় ছাপিয়ে শীর্ষ পরিচিতিটি হলো

যে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশের আগেই তিনি চলে গেলেন

এতটা হঠাৎ করে তিনি চলে যাবেন এটা ভাবিনি। সাতসকালে ফেসবুকের নিউজ ফিডে যখন খবরটি দেখি তখন অন্তরটি মোচড় দিয়ে উঠে। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। বারবার মনে মনে বলছিলাম, খবরটি মিথ্যা বা গুজব হোক। কিন্তু না, কিছুক্ষণের মধ্যে টিভি চ্যানেলগুলোর সর্বশেষ সংবাদে ভেসে উঠছে সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ দুজন নিহত। বেলা যত বাড়তে থাকলো ফেসবুকের

যাঁর কাছে ঋণী এদেশের আলেমসমাজ

বিংশ শতাব্দীর ঊষালগ্নে ভারত উপমহাদেশের গগনে প্রৌজ্জ্বল দ্বীপ্তি নিয়ে আবির্ভূত হন মহান সংস্কারক সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.। যিনি বহুমুখী জ্ঞান, প্রজ্ঞা, আখলাক-চরিত্র, ইখলাস ও তাকওয়া দ্বারা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবায় যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন। বাতিলের তুফান থেকে ইসলামী প্রদীপকে রক্ষা করেছেন। যুগের দুর্যোগ থেকে মুসলিম উম্মাহর কাফেলাকে হেফাজত করেছেন। তাঁর মহান ব্যক্তিত্বের

একজন সাধক আলেমের বিদায়

নীরবেই চলে গেলেন বহু গ্রন্থপ্রণেতা এবং হাজারও আলেমের উস্তাদ মাওলানা নোমান আহমদ। দীর্ঘদিন ধরেই জটিল রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে ৫৪ বছর বয়সে গত ৩১ অক্টোবর তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তবে তাঁর এই চলে যাওয়া গতানুগতিক কোনো আলেমের বিদায়ের মতো নয়। তিনি ছিলেন একজন নীরব সাধক। কোরআন-হাদিস তথা দ্বীনের বিশুদ্ধ ধারায় বিরামহীন চর্চার

Top