সমাজ articles

মানুষের কত টাকার প্রয়োজন!

মানুষের কত টাকার প্রয়োজন!

  জহির উদ্দিন বাবর ক্ষমতাসীন দলে চলছে শুদ্ধি অভিযান। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন এমন কয়েকজনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। এই তালিকায় আছেন আরও অনেকে। গণমাধ্যমে প্রতিদিনই আসছে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে গড়া অঢেল সম্পদের ফিরিস্তি। ক্ষমতাসীন দলে মাঝারিমানের নেতাদের সম্পদের যে বিবরণ উঠে আসছে তাতে চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা। অনেকে আবার

বাংলাদেশ ও ভারতের সংখ্যালঘু সমাচার!

জহির উদ্দিন বাবর বাংলাদেশ আর ভারত পাশাপাশি রাষ্ট্র। এখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু আর ওখানে মুসলিমরা। এখানে ১২ শতাংশ সংখ্যালঘু, সরকারি চাকরিতে তারা দখল করে আছেন ২৫ শতাংশ পদ। আর ওখানে ১৪ শতাংশ মুসলিম, সরকারি চাকরিতে তাদের অংশ মাত্র এক শতাংশের একটু বেশি।  স্বাধীনতার ৪৮ বছরে ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এমন ঘটনা সম্ভবত

আত্মঘাতী লোভ আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে!

জহির উদ্দিন বাবর গত ১৯ জুনের একটি খবর। বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরটি ফলাও করে প্রচার হয়। রাজধানীর হাজারীবাগে ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য দিয়ে মৎস্য ও পোলট্রির খাদ্য তৈরির ছয়টি কারখানা বন্ধ করে দেয় র‌্যাব। এর সঙ্গে জড়িত ১০ জনকে দুই বছর মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদ- এবং ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। র‌্যাব জানায়, কারখানাগুলোর গুদাম থেকে মোট

সুবর্ণচরের বিবর্ণ চেহারা ও আমাদের সমাজ

জহির উদ্দিন বাবর গত ৩০ ডিসেম্বর দেশে অনুষ্ঠিত হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এটাকে আদৌ ‘নির্বাচন’ বলা যাবে কি না সেটা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক আছে। তবে ভোটের নামে প্রহসনের আলোচনাকে ছাপিয়ে গেছে নির্বাচনের রাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। ওই রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে তার স্বামী-সন্তানদের সামনে গণধর্ষণ করেছে মানুষ নামের ৯ পশু। ওই নারীর

চাঁদে কলঙ্ক খোঁজার অপচেষ্টা!

জহির উদ্দিন বাবর মাদক ভয়াবহ আকার ধারণ করায় সম্প্রতি দেশে পরিচালিত হয়েছে বড়ধরনের একটি অভিযান। সরকারের সর্বোচ্চ মহলের নির্দেশে দেশব্যাপী সাঁড়াশি এই অভিযান পরিচালিত হয়। ‘চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে’ এই স্লোগানে র‌্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে এই অভিযানে নামে। এই অভিযানে মাদক কারবারিদের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এজন্য কয়েক দিনের ধারাবাহিক অভিযানে

একটি নিষ্ঠুতার গল্প ও দায়বোধের প্রসঙ্গ

জহির উদ্দিন বাবর পৃথিবীতে বাবার চেয়ে আপনজন আর কে আছে? একজন বাবা তার জীবনের সবটুকু তিলে তিলে ব্যয় করে গড়ে তোলেন সন্তানকে। নিজের আরাম-আয়েশের কথা চিন্তা না করে সন্তানের জন্য সবকিছু করেন। বাবার পৃষ্ঠপোষকতায় সন্তান একদিন বড় হয়ে ওঠে, পৌঁছে উচ্চতায়। সেই সন্তান যদি বড় হয়ে নিজের শিকড় ভুলে যায়, বাবাকে আর স্মরণ রাখার প্রয়োজন

নারীমুক্তির সোপান

নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে মানবসভ্যতা। পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় রাখতেই মহান স্রষ্টা এই সুচারু ধারা চালু করেছেন। সভ্যতার বিনির্মাণ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ পরস্পরের পরিপূরক। একজনকে ছাড়া অন্যজনের অস্তিত্ব ও বিকাশ কল্পনা করা যায় না। সৃষ্টির সহজাত ধারায় নারী-পুরুষের মধ্যে মর্যাদাগত কোনো পার্থক্য নেই। তারপরও যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী নারীদের বঞ্চিত করেছে তাদের প্রাপ্য

কওমী মাদরাসা জাতিকে কী দিয়েছে!

ইতিহাসের এক যুগসন্ধিক্ষণে যাত্রা শুরু কওমী মাদরাসার। বৃটিশ ওপনিবেশ শাসনের শেষ পর্যায়ে এসে পরাধীন জাতির মুক্তির চেতনা নিয়ে কওমী মাদরাসা শিক্ষাধারার সূচনা। এটি ইসলামী শিক্ষার ঐতিহ্যবাহী প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি। মৌলিকত্ব, অনাড়ম্বরতা ও নৈতিক আপসহীনতা এ শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। দারুল আরকাম থেকে সূচিত নববী শিক্ষার ধারাবাহিকতা মদীনা, কুফা, বসরা, মিশর, দামেশক, বাগদাদ, খোরাসান, মধ্য এশিয়া হয়ে দিল্লি

বর্ষবরণে বস্ত্রহরণ, একমুঠো ভাবনা

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মাতামাতিটা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন একটু বেশি। তথাকথিত বাঙালি সংস্কৃতির নামে প্রতি বছর এতে যোগ হয় নতুন মাত্রা। মিডিয়া আর বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর উস্কানিতে এখন বাংলা নববর্ষের দিন ঢাকা শহরের বেশির ভাগ নারী-পুরুষই রাস্তায় বেরিয়ে যান। ৩৬৪ দিন ঢাকা শহর সচল থাকলেও একদিন মোটামুটি অচল হয়ে যায়। পয়লা বৈশাখ রাজধানীর রাস্তা বের

ইতিবাচক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি

তুরাগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৫০ তম বিশ্ব ইজতেমা। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের এদেশে শুধু মুসলমানদের কাছেই নয়, অমুসলিমদের কাছেও ইজতেমা উপলক্ষটি গুরুত্ব পায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ইজতেমার এই গণজমায়েতকে সম্মান করেন, সাধ্যমতো সহায়তা জোগান। ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী শান্তিপ্রিয় মুসল্লিদের সবাই সমীহ ও শ্রদ্ধা করেন। কারণ ইজতেমা গতানুগতিক ধারার কোনো সমাবেশ নয়। প্রভুভক্তির অপূর্ব নজির স্থাপিত

Top