সাহিত্য articles

ইসলামি প্রকাশনা: যেতে হবে আরও বহুদূর

ইসলামি প্রকাশনা: যেতে হবে আরও বহুদূর

জহির উদ্দিন বাবর বাংলাদেশে ইসলামি ধারার প্রকাশনা শিল্পের বিকাশটা খুব বেশি দিন আগের নয়। একটা সময় ছিল ইসলামি প্রকাশনা বলতে ‘মকসুদুল মুমিনিন’ আর ‘বারো চান্দের ফজিলত’ এসব বইকেই মনে করা হতো। সবার ঘরে ঘরে এই ধরনের দুই একটা বই থাকত। ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য বিশুদ্ধ আকিদার পঠনপাঠন সামগ্রীর অভাব ছিল প্রকট। সম্ভবত ছদর সাহেব খ্যাত

লক্ষ্যপানে এগিয়ে চলা স্বপ্নের প্লাটফর্ম

জহির উদ্দিন বাবর হাঁটি হাঁটি পা পা করে পেরিয়ে গেছে চারটি বছর। ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ‘বাংলাদেশ ইসলাম লেখক ফোরাম’ নামে যে শিশুটির জন্ম সেই শিশুটি এখন হাঁটতে পারে, দৌড়াতে পারে। চোখের সামনে বেড়ে ওঠা একটি শিশুকে দেখলে কার না ভালো লাগে! তবে শিশুটিকে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে কী ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয় সেটা জানে

হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া বর্ষা

মহান স্রষ্টা প্রকৃতিকে সাজিয়েছেন নিপুণভাবে, করেছেন বৈচিত্র্য ও লাবণ্যময়। তাই আমাদের পরিপার্শ্ব নিয়ে গড়ে ওঠা প্রকৃতি হয়েছে সুষমামণ্ডিত ও সুরভিত। সব দেশের সব সময়ের প্রকৃতি এক নয়। স্থানভেদে ভিন্ন সময়ে, ভিন্ন আঙ্গিকে প্রকৃতির অবস্থাও হয় বিভিন্ন ধরনের। আমাদের সবুজ এই ভূখণ্ডের প্রকৃতি অপরূপ সুন্দর ও শোভিত। প্রকৃতির উপাদান এদেশের গাছ-পালা, মাটি-বায়ু, জল-ফুল-ফল, পশু-পাখি আর নদী-নালা

‘স্বীকৃতি না পাওয়ায় খেদ নেই, প্রতিদান চাই আল্লাহর কাছে’

শফিউদ্দীন সরদার। একজন ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা। ইতিহাসনির্ভর উপন্যাস রচনায় নতুন এক ধারার সূচনা করেছেন। শুধু বাংলার মুসলিম ইতিহাসের বিভিন্ন পরিক্রমাকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত তাঁর রচিত উপন্যাসের সংখ্যা ২২টি। রগরগে কাহিনী ও রোমাঞ্চকর বর্ণনার তথাকথিত জনপ্রিয় ধারার উপন্যাসে যখন বাজার ছেয়ে গেছে তখনও নিভৃতচারী এ ঔপন্যাসিক রুচিশীল পাঠকের খোরাক যুগিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। বাংলার মুসলিম শাসনের

প্রত্যাশার দিগন্তে বর্ণিল ইশারা

আমাদের জীবনপ্রবাহে শিল্প-সাহিত্যের ভূমিকার কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কিছু কিছু অঙ্গনে মানুষ একান্তই মনন ও চেতনার বুদ্বুদের ভেতর নিজেকে আবিষ্কার করে। মানুষের নিজস্ব এ ভাবনা শিল্পরূপে প্রকাশ ঘটে। প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই একটা শিল্পমন কাজ করে। মানুষ যদি ভেতরের শিল্পিত এ মনকে উপযুক্ত পরিচর্যা করে তবেই তা মোহ ও মাধুর্যের মাদকতায় অন্যকে আকৃষ্ট করে।

বিচিত্র এই মন

‘মানুষের মন আর আকাশের রঙ’ কথাটির একটি তাৎপর্য আছে। আকাশের রঙের যেমন কোনো স্থায়িত্ব নেই, কখন কোন অবস্থা ধারণ করে বলা যায় না, তেমনি মানুষের মন। বড়ই বিচিত্র এই মন। মনের অবস্থা কখন যে কী রূপ ধারণ করবে তা বলা যায় না। মনের যিনি ধারক তিনিও অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না মনের ওপর। রক্ত-মাংসের

মানবজীবনের সার্থকতা কিসে!

মানুষের জীবন তো একটাই। তা আবার একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে বন্দী। মানুষ চাইলেই এর বাইরে বেরোতে পারে না। অস্তিত্ব লাভ এবং বিনাশ কোনোটাতেই মূলত মানুষের হাত নেই। নির্দিষ্ট ফ্রেমের মধ্যে বিচরণের সময়টুকুই মানুষের কর্তৃত্বের আওতাভুক্ত। এই সময়ে মানুষ যা করে পরবর্তী জীবনে এর সুফল বা কুফল তাকে ভোগ করতে হয়। নির্ধারিত ছকে আঁকা এই সময়টুকুই মানবজাতির

আকুল প্রাণের ব্যাকুল মিনতি

পৃথিবীর সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার সূচনাপর্ব থেকে প্রেম ও ভালোবাসার বন্ধন চলে আসছে। প্রেমের ছোঁয়া না পেলে সৃষ্টিরাজিতে প্রাণের স্পন্দন আসতো না। সহজাত, শাশ্বত ও চিরন্তন এই উঞ্চ ভালোবাসার কারণেই স্রষ্টা তার সৃষ্টিরাজিকে কুশলী শিল্পীর নিপুণ তুলিতে সুশোভিত ও সুষমামণ্ডিত করেছেন। প্রতিটি সৃষ্টির মাঝেই প্রেমের অনুরাগ ও মায়ার বন্ধন কার্যকর আছে। বিশেষত সৃষ্টির সেরা জীব মানবের মাঝে এর

কেন লেখেন লেখক!

একজন লেখক কেন লেখেন? এই জগতসংসারে তো আরো অনেক কাজ আছে। লেখালেখিতে কেন মগ্ন থাকেন লেখকেরা। কীসের নেশায় এ জগতে খেয়ে-না খেয়ে বুদ হয়ে পড়ে থাকেন? উত্তরটা সবার কাছে হয়ত একরকম না। মোটাদাগের প্রাপ্তি আর রাতারাতি বড় কিছু হয়ে যাওয়ার জন্য কেউ লেখেন না-এটা বলা যায় সবার ক্ষেত্রে। কারণ লেখালেখি করে ভাত-জোটানো কঠিন। বর্তমান এই

আদর্শবাদী এক কবির প্রতিচ্ছবি

কবি ও কবিতার প্রতি আসক্তি বা অনুরাগ নেই এমন লোক সমাজে খুব কম। কবিতার সম্পর্ক আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত। যুগে যুগে কবিরা তাদের কবিতার মাধ্যমে ফুঁটিয়ে তুলেছেন সমাজের বাস্তব প্রতিচ্ছবি। অন্যায়, অসত্য আর অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তাদের কলমে গড়ে তুলেছেন তুমুল প্রতিরোধ। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের পাশাপাশি বাস্তবতার নিরিখে অংকন করেছেন সমাজের চিত্রকে। কবিতা হচ্ছে সমাজের দর্পণ।

Top