মিডিয়া

‘ও সাংবাদিক তুই অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে!’

জহির উদ্দিন বাবর সম্ভবত সমাজের সবচেয়ে চক্ষুশূল পেশাটির নাম সাংবাদিকতা। বেশির ভাগ শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছেই সাংবাদিকরা সমাদৃত নয়। পুলিশের শত্রু সাংবাদিক। কারণ পুলিশের সব অপকর্ম তুলে ধরে সাংবাদিকরা। রাজনীতিবিদরা সাংবাদিকদের তোষামোদ করলেও মাঝে মাঝে সুযোগ পেলেই ক্ষোভ ঝারেন। কারণ তাদের বহুমুখী চরিত্র দৃষ্টিকটুভাবে ফুটিয়ে তোলেন সাংবাদিকরা। চিকিৎসকদের অনেক বড় ‘শত্রু’ সাংবাদিক। কারণ তাদের হঠকারী আচরণ

রাজনীতি

মেননদের জন্য ধিক্কার বনাম ফিরোজের জন্য ভালোবাসা

জহির উদ্দিন বাবর সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেয়া বামপন্থী নেতা রাশেদ খান মেননের একটি বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। তিনি মাদরাসা শিক্ষা, আলেম-উলামা, ইসলামি অনুশাসন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা.) সবার প্রতি নিজের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা হিংস্রতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। মেনন কওমি মাদরাসা শিক্ষাকে ‘বিষবৃক্ষ’, ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে ‘মোল্লাতন্ত্র’ আর আল্লামা শাহ আহমদ

মতামত

সাংবাদিককে আত্মহত্যার পরামর্শ ও সচিবের দায়

জহির উদ্দিন বাবর ‘সাংবাদিককে আত্মহত্যার পরামর্শ দিলেন রেলসচিব’ এমন একটি সংবাদ গত কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত হচ্ছে। মূল ঘটনা হলো, বেসরকারি চ্যানেল সময় টিভির প্রতিবেদক নাজমুস সালেহী ট্রেনের অনিয়ম নিয়ে একটি প্রতিবেদন করতে গিয়ে বক্তব্য জানতে গিয়েছিলেন রেলসচিব মোফাজ্জল হোসেনের কাছে। সচিব প্রথমে সাংবাদিককে তথ্য দিতে না চাইলেও এক পর্যায়ে তার অধঃস্তন এক কর্মকর্তাকে

ইসলাম

প্রিয় তাবলিগি ভাইয়েরা এবার একটু ক্ষান্ত দিন!

জহির উদ্দিন বাবর সমস্যার ডালপালা ছড়াচ্ছে অনেক দিন ধরেই। বিভাজন ও বিভক্তির বিষয়টাও এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। কোটি হৃদয়ের স্পন্দন প্রিয় তাবলিগ জামাত আর আগের মতো নেই সেটা এখন সবারই জানা। কিন্তু এখানেও খুনোখুনি, ক্ষমতার মহড়া আর মারদাঙ্গা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে সেটা ছিল অকল্পনীয়। এখানেও প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর মতো পেশিশক্তির লড়াই দেখতে হবে সেটা ছিল অভাবনীয়।

যাঁর হৃদয়ের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়

জহির উদ্দিন বাবর ‘তাবলিগ জামাত’ নামটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে যে মহান মনীষীর কথা আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে তিনি হলেন হযরতজী মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস রহ.। তাবলিগের কার্যক্রম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে তাঁর ইখলাস, লিল্লাহিয়াত, সাধনা ও চোখের পানিই সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। তাঁর অন্তরে দীনের যে জ্বলন ছিল তা ছড়িয়ে পড়ে ব্যক্তি

হজের সফর বনাম আখেরাতের সফর

মূল: ইমাম গাযালী রহ.; অনুবাদ: জহির উদ্দিন বাবর হে বন্ধু! খানায়ে কাবা মহান প্রভুর ঘর। এটা আসমান ও জমিনের বাদশার দরবার। আপনি সেই শাহী দরবারে যাচ্ছেন। মূলত তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে যাচ্ছেন। এই পার্থিব দুনিয়ায় আপনার চোখ দিদারে এলাহীর ক্ষমতা রাখে না। তবে বায়তুল্লাহ জিয়ারতের দ্বারা এর কিছুটা স্বাদ মিটে। এর দ্বারা মহান রাব্বুল আলামিনের ওয়াদা

Top